This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Friday, December 30, 2011

স্বাগতম ২০১২,বিদায় ২০১১

বিডি সংবাদ ২৪.কম ডেস্ক :: নতুন বছর নতুন দিন, নতুন খবর মন রঙিন,ঘড়ির কাঁটায় অতীত পার,ভবিষ্যতের খুলছে দ্বার,নতুন ভোরে নতুন গান,ফুটুক আলো জাগুক প্রাণ,হিমেল হাওয়া দেয় দোলা,এসো সবাই দ্বার খোলা। নতুনের হাত ধরে উন্মোচিত হয় সম্ভাবনার দিগন্ত। আবহমানকাল থেকেই নতুনের জন্য মানুষের অপেক্ষা।
নতুনকে ঘিরেই জন্ম নেয় অপূর্ণ ইচ্ছা পূরণের নতুন স্বপ্ন। শাশ্বত সেই পথ ধরেই অনেক ঘটন-অঘটন, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, চড়াই-উৎরাই, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ও আনন্দ-বেদনার সাক্ষী হয়ে কালের গর্ভে কালের স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে ২০১১ খ্রিস্টাব্দ। আজ দিনের শেষে রাতটুকু পেরোলেই কাল পূর্বাকাশে উঠবে নতুন বছরের সূর্য। নতুন দিনের, নতুন স্বপ্নেরও। উৎসব-আয়োজনের মধ্য দিয়েই সারা পৃথিবীর সঙ্গে বাংলাদেশও স্বাগত জানাবে খ্রিস্টীয় নতুন বছর ২০১২ সালকে।
জীর্ণ ঝরাপাতার মতো ঝরে যাবে বিদায়ী বছরের ক্যালেন্ডারও। হারিয়ে যাবে ঘটনাবহুল বছরটি। হারিয়ে যাবে না গত বছর আলোড়ন সৃষ্টিকারী আশা-নিরাশার ঢেউ জাগানো অনেক ঘটনা। নতুন বছরকে নিয়ে রয়েছে নানা শঙ্কার কথা। ষাটের দশক থেকে ভবিষ্যদ্বাণী শোনা যাচ্ছে, ২০১২ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বরে ধ্বংস হয়ে যাবে পৃথিবী। এ নিয়ে প্রাচ্য-পাশ্চাত্যের পত্রপত্রিকায় কত লেখালেখি। ক'দিন আগে দি ইকোনমিস্টও একটি সংখ্যা প্রকাশ করেছে 'দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ ২০১২' প্রচ্ছদ করে। ওই সংখ্যার সম্পাদকীয়তে অবশ্য পৃথিবী যে ২০১২ খ্রিস্টাব্দে ধ্বংস হচ্ছে না, তা বলা হয়েছে। ধ্বংস না হলেও অনেক কিছুই যে ঘটবে, সে ব্যাপারে ভবিষ্যদ্বাণী রয়েছে ইকোনমিস্টের। বাংলাদেশের গণমাধ্যমেও চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে বিদায়ী বছরটি নিয়ে।
প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির নিরিখে পেছনে তাকালে দেখা যাবে প্রাপ্তির উজ্জ্বল কিছু সোনালি শস্য, অন্যদিকে অতৃপ্তির কিছু শীর্ণপাতার মতো রিক্ততারও আর্তি জেগে আছে। তাহলে এক পলক দেখে আসা যাক কী পেয়েছি, কী পাইনি। কী সম্ভাবনা নিয়ে আসছে ২০১২। বছরজুড়ে পুরনো আদলেই ছিল দেশের রাজনীতি।
মুদ্রাস্ফীতি, ব্যাংক থেকে ক্রমাগত সরকারের ঋণ গ্রহণ, ডলারের বিপরীতে টাকার মান পতন, জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দফায় দফায় মূল্যবৃদ্ধির ফলে বাজারে বিরূপ প্রভাব ইত্যাদি। বিশেষ করে পরিবহন খাতে অযৌক্তিক হারে ভাড়াবৃদ্ধি সাধারণের জীবনমানে আঘাত হেনেছে। রমজানের আগে চিনির কেজি ৮০ টাকায় উঠে যাওয়াটা ছিল আলোচিত ঘটনা। এ সময়টায় বাজার থেকে উধাও হয় ভোজ্যতেল। বছরজুড়েই বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি ছিল নগরবাসীর জন্য যন্ত্রণার বিষয়।
সংবিধানে সংশোধনী তথা আদালতের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল বিল পাস বছরের বড় ঘটনা। এ বছর করা হয় সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী। শেয়ারবাজারে যে বছরব্যাপী একের পর এক ধস গেছে, তা মানুষ ভুলবে না। বছরের শেষ প্রান্তে এসে সরকারি চাকরিজীবীদের চাকরির মেয়াদ ২ বছর বাড়িয়ে ৫৯ বছর করাও আলোচিত ঘটনা। সারাদেশে উদযাপিত হয় বিজয়ের ৪০ বছর পূর্তি। ২০১১ সালের সবচেয়ে গৌরবের ঘটনা এটি।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে যারা মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্য অপরাধ করেছে, সেই অভিযুক্তদের বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনালে বিচার শুরু ২০১১-এর একটি বড় ঘটনা। পিলখানায় সাবেক বিডিআর সদর দফতরে সংঘটিত 'বিদ্রোহ' ও সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার অভিযোগে অভিযুক্তদের বিচার শুরু হয়েছে ২০১১ সালেই। চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ৪৬ ক্ষুদে শিক্ষার্থীর সড়ক দুর্ঘটনায় অকাল মৃত্যুর শোক মুছবে না সময়ের ধুলোয়। মুছে যাবে না বহির্বিশ্বের উত্তাল কিছু ঘটনা। বিশেষ করে লাদেন ও গাদ্দাফির মৃত্যুর রক্তাক্ত ঘটনা। মিসরে বিদ্রোহে হোসনি মোবারকের পতনসহ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তাল 'আরব বসন্ত' জের টেনে যাবে আরও বহুদিন। নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি পদ থেকে সরে যাওয়ার ঘটনাটিও আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত হয়েছে। একই সঙ্গে ব্রিটেনের রাজপরিবারের প্রিন্সের বিয়ে ছিল বিশ্বময় আলোচিত।
বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর ঋণ স্থগিতের ঘটনাটি বহুল আলোচিত। বছরজুড়েই সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়টি ছিল আলোচিত-সমালোচিত। সারাদেশে সড়ক, মহাসড়কের বেহাল দশা ছিল বহুল আলোচিত ঘটনা। প্রথমবারের মতো রেল মন্ত্রণালয় গঠন করেছে সরকার। সরকার রাজধানীর উন্নয়ন সম্প্রসারণের কথা বলে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুই ভাগ করেছে। বছরের শুরুতেই পৌর নির্বাচন ছিল স্থানীয়ভাবে বহুল আলোচিত।
দেশে প্রথম মহিলা মেয়র শুধু নন, রীতিমতো দেশময় তারকার দ্যুতি ছড়িয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে বিজয়ী প্রথম মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। দেশময় নারী নির্যাতনের ঘটনা অব্যাহত ছিল ২০১১ সালেও। বছরব্যাপী বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের জন্ম সার্ধশতবর্ষ উদযাপনে মুখর বাংলাদেশ। দীর্ঘকাল পর রাশিয়া-বাংলাদেশ চুক্তি হলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন ও উন্নয়নে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফর ছিল প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে বহুল কাঙ্ক্ষিত। বছরজুড়ে টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েন আলোচিত ঘটনা।
২০১১ সালেই বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দল আইসিসির ওয়ানডে স্ট্যাটাস পেয়েছে। সাকিব আল হাসান ওয়ানডে ক্রিকেটে আগেই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার, এ বছর টেস্ট ক্রিকেটেও হলেন তিনি বিশ্বসেরা। ক্রীড়াঙ্গনে আরেকটি বড় ঘটনা বিশ্বকাপ ক্রিকেটের জমকালো উদ্বোধন ও বাংলাদেশে একাধিক ভেন্যুতে ম্যাচ অনুষ্ঠানের সাফল্য।
ঝালকাঠির কলেজছাত্র লিমন, ঢাবির ছাত্র কাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নির্যাতিত হয়ে পঙ্গু হওয়ার ঘটনা বহুল আলোচিত। বছরব্যাপী রহস্যময় নিখোঁজ আর গুম হওয়ার ঘটনাও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

Saturday, December 24, 2011

আমাদের রাজশাহী


undefinedবাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত রাজশাহী এক ইতিহাসখ্যাত নগরী। প্রাচীন পুন্ড্রবর্ধন জনপদের অংশ রাজশাহীর জনবসতি হাজার বছরের ঐতিহ্য বহন করছে। মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন, মোগল, ইংরেজরা এ অঞ্চলে শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। এ অঞ্চলে রাজারাজড়াদের অবাসস্থলকে কেন্দ্র করে নাম হয়েছে রাজশাহী। পঞ্চদশ শতকে ভাতুরিয়া দিনাজপুরের জমিদার রাজা কংস বা গনেশ এ অঞ্চলের অধিপতি ছিলেন। তিনি রাজা শাহ নামে পরিচিতি ছিলেন। মনে করা হয় ‘রাজা’ আর ‘শাহ’ মিলে রাজশাহী নামকরণ হয়েছে। এ শহরের নিচ দিয়ে বয়ে গেছে একদা প্রমত্তা পদ্মার প্রাণলীলা। শহরের দক্ষিণে পদ্মার বিশালতা হাতছানি দেয়। শহরের পূর্ব-পশ্চিম-উত্তর আম্রকানন দিয়ে পরিবেষ্টিত।
১৭৭২ সালে ব্রিটিশ শাসনামলে রাজশাহী জেলা সৃষ্টি হয়। তখন রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ ছাড়াও বগুড়া ও পাবনা এবং বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মালদহ ও মুর্শিদাবাদ জেলার বৃহদাংশ ছিল এ জেলার অন্তর্গত। ১৮৭৬ সালে রাজশাহী পৌরসভা সৃষ্টি হয় এবং ১৯৮৭ সালে এটি পৌর কর্পোরেশনের মর্যাদা লাভ করে। বর্তমানে একটি সিটি কর্পোরেশন, ১২টি পৌরসভা, ৯টি উপজেলা, ৭১টি ইউনিয়ন এবং ১৮৫৮টি গ্রাম নিয়ে রাজশাহী জেলা গঠিত।

ইতিহাস:
রাজশাহী বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের (উত্তরবঙ্গের) একটি প্রধান শহর | এটি রাজশাহী বিভাগ এর রাজশাহী জেলার অন্তর্গত । রাজশাহী শহর বিখ্যাত পদ্মানদীর তীরে অবস্থিত। এটি রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় শহর। রাজশাহী শহরের নিকটে প্রাচীন বাংলার বেশ কয়েকটি রাজধানী শহর অবস্থিত। এদের মাঝে লক্ষণৌতি বা লক্ষনাবতি, পুন্ড্র ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। রাজশাহী তার আকর্ষণীয় রেশমীবস্ত্র (Silk), আম, লিচু এবং মিস্টান্নসামগ্রীর জন্য প্রসিদ্ধ। রেশমীবস্ত্রের কারণে রাজশাহীকে রেশমনগরী (Silk City) নামে ডাকা হয়। রাজশাহী শহরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে যাদের অনেকগুলির খ্যাতি দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। নামকরা এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য রাজশাহী শহর শিক্ষানগরী নামেও পরিচিত। রাজশাহী শহরে এবং এর আশেপাশে বেশ কিছু বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক মসজিদ, মন্দির ও উপাসনালয় রয়েছে।



জলবায়ু:
বাংলাদেশের অবস্থান ক্রান্তীয় অঞ্চলে বলে এখানকার আবহাওয়া নাতিশীতোষ্ণ।
মহানগরের গড় তাপমাত্রা = ২৩.৮৩ সে :(১৯৯১-১৯৯৬)
মহানগরের বাষির্ক বৃষ্টিপাত = ১৪৪৭.৬মি.মি.(১৯৯৬-২০০১)
বাষির্ক গড় আদ্রতা = ৭৬% (২০০১)


ভৌগলিক তথ্য:
আয়তন ‍ঃ ২৪-০৫', ২৫-১৪' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮-০১' হতে ৮৯-২৫' পূর্ব পর্যন্ত বিস্তৃত।
আয়তন ‍ঃ (রাসিক এলাকা) = ৯৬.৭২ বর্গ কিলোমিটার।
সীমানা ‍ঃ প্রমত্তা পদ্মার উত্তর ধার ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা রাজশাহী মহনগরীর চতুপার্শ বেড়া দিয়ে আছে রাজশাহী জেলার পবা থানা। উত্তরে: মৌজা হড়গ্রাম জে এল নং ৪৩, মৌজা সড়কগ্রাম জে এল নং ১০৯, মৌজা মেহেরচন্ডি জে এল নং ১২০।
দক্ষিণে: পদ্মা নদী । পূর্বে : মৌজা বুধপাড়া জে এল নং ১২৫, মৌজা মিজার্পুর জে এল নং ১১৯, মৌজা ডাঁশমারী জে এল নং ১৯৪। পশ্চিমে : মৌজা গোয়ালপাড়া জে এল নং ৪২, মৌজা হাড়ুপুর (আংশিক) জে এল নং ২১৬।

তেলচালিত ল্যাপটপ বানাবে অ্যাপল

জ্বালানি তেলে চলে এমন ল্যাপটপ তৈরির জন্য সম্প্রতি দুটি পেটেন্ট আবেদন করেছে টেক জায়ান্ট অ্যাপল। এমনকি, ভবিষ্যতে হাইড্রোজেন জ্বালানি ব্যবহার করেও চালানো যাবে অ্যাপলের তৈরি ল্যাপটপ। খবর টাইম ম্যাগজিন-এর।২২ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে করা এ পেটেন্ট আবেদনে অ্যাপল প্রযুক্তিটির নাম দিয়েছে ‘ফুয়েল সেল সিস্টেম টু পাওয়ার এ পোর্টেবল কম্পিউটিং ডিভাইস’। এ প্রযুক্তির দুটি অংশ। এটি অংশের আবেদনে বলা হয়েছে, কম্পিউটারে তেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ তৈরি হবে আর সে বিদ্যুৎই ল্যাপটপের শক্তি হিসেবে কাজ করবে।আরেকটি আবেদনে বলা হয়েছে, রিচার্জ করা যায় এমন ব্যাটারি এবং পোর্টেবল কম্পিউটিং ডিভাইসকে জ্বালানিচালিত নতুন ল্যাপটপ শক্তির যোগান দেবে যা প্রয়োজন হলে তা থেকে চার্জও নিতে পারবে।..

এক মৃত মুক্তিযোদ্ধার দিনপঞ্জির পাতা থেকে…

মুক্তিবাহিনী ট্রেনিং, ১৯৭১; ছবি. উইকিপিডিয়াগল্পের লোভে মাঝে মাঝেই আমি এদিক ওদিক ঘুরি। নানা মানুষের সাথে মেশার চেষ্টা করি। মূলতঃ এই গল্প খোঁজার লোভ থেকেই ঢাকার মোহাম্মদপুর কলেজ গেট সংলগ্ন ‘যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা রোগমুক্তি বিশ্রামাগার’-এ গত বছর দশেক ধরে আমার ঘোরাঘুরি। কখনো টানা ঘোরা, আবার কখনো লম্বা সময়ের বিরতিতে যাওয়া। শুধু বিশ্রামাগার নয়, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের বারান্দা বা করিডোরেও আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে কথা হয়েছে প্রচুর। ২০০০ সালে ‘যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা রোগমুক্তি বিশ্রামাগার’-এ হুইল চেয়ার বন্দি বীরপ্রতীক মোদাস্বার হোসেন মধুর সাথে আমার পরিচয়।